সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

আখ চাষ :

আখ চাষ : মাটিঃ এঁটেল, দোআঁশ ও এঁটেল-দোআঁশ মাটিতে আখ ভাল জন্মে। তবে পানি নিকাশের ব্যবস্থাযুক্ত এঁটেল-দোআঁশ মাটি সবচেয়ে ভাল। উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি যেখানে পানি জমে থাকেনা এমন জমি নির্বাচন করতে হবে। জাত: খরা, বন্যা, জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততাসহ প্রতিকূল পরিবেশ সহিষ্ণু ইক্ষুজাতসমূহ: ঈশ্বরদী ২০, ঈশ্বরদী ২১, ঈশ্বরদী ২২, ঈশ্বরদী ২৪, ঈশ্বরদী ২৫, ঈশ্বরদী ২৬, ঈশ্বরদী ২৭, ঈশ্বরদী ২৮, ঈশ্বরদী ২৯, ঈশ্বরদী ৩০, ঈশ্বরদী ৩১, ঈশ্বরদী ৩২, ঈশ্বরদী ৩৩, ঈশ্বরদী ৩৪, ঈশ্বরদী ৩৭, ঈশ্বরদী ৩৮, ঈশ্বরদী ৩৯ ও ঈশ্বরদী ৪০। মুড়ি আখ চাষ উপযোগী ইক্ষুজাতসমূহ: ঈশ্বরদী ২/৫৪, এলজেসি, ঈশ্বরদী ২০, ঈশ্বরদী ২১, ঈশ্বরদী ২৭, ঈশ্বরদী ২৮, ঈশ্বরদী ২৯, ঈশ্বরদী ৩০, ঈশ্বরদী ৩১, ঈশ্বরদী ৩২, ঈশ্বরদী ৩৩, ঈশ্বরদী ৩৪, ঈশ্বরদী ৩৭ ও ঈশ্বরদী ৩৮। https://smartfarmeralaminjuel.blogspot.com/2019/05/blog-post.html চিবিয়ে খাওয়ার উপযোগী ইক্ষুজাতসমূহ: সিও ২০৮, সিও ৫২৭, গ্যান্ডারি, অমৃত এবং ঈশ্বরদী ২৪। রোপণের সময়ঃ জানুয়ারী মাস ছাড়া বাংলাদেশে অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত চারা রোপন করা যায়। তবে চারা রোপণের সর্বোত্তম সময় মধ্য স...

শিক্ষিত কৃষক এখন সময়ের দাবী:

শিক্ষিত কৃষক এখন সময়ের দাবী  : আমাদের দেশের মানুষ শিক্ষিত হচ্ছে ।  কিন্ত শিক্ষা গ্রহণের মূল উদ্দেশ্য চাকুরী আথবা ব্যবসা ।  আমরা আমাদের উত্তরসুরিদের মানুষিক ভাবে ছোটবেলা থেকে এমনই একটি ধারণা দিয়ে থাকি ।  কিন্ত কেউ তার ছোট ভাই কিংবা বাচ্চাকে কখনো কি বলেছি যে . . . . মন দিয়ে লেখাপড়া কর, একজন আধুনিক কৃষক হতে হবে ! ! আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এটা পাগলের প্রলাপ তাই না  ? https://smartfarmeralaminjuel.blogspot.com/2018/09/blog-post.html কিন্তু একবার ভেবে দেখুন , আপনার শিক্ষিত ছেলেটি এখন বেকার ঘুরে বেড়ায়। চাকুরী না পেয়ে আপনার কাছে ব্যবসা করার জন্য মূলধন চায়।  কিন্ত আপনি সন্তান শিক্ষিত করতে গিয়েই পুঁজি শেষ করেছেন। ব্যবসা করার জন্য দেবার মত অবশিষ্ট পুঁজি নেই আপনার হাতে। কিন্ত শিক্ষিত ছেলেটি বেকার ঘুরে বেড়ায়, এটাও ভালো লাগেনা আপনার। তাই এবার জমি-জমা শেষ সম্বল বিক্রয় করে হয় ব্যবসার জন্য আথবা বিদেশ পাঠাতে টাকা তুলে দিলেন সন্তানের হাতে ।  ব্যবসায় সফলতা আসলে ভলো , নয়তো সব শেষ । আর বিদেশ গিয়ে আপনার সন্তান কি কাজ করবে ?  যে কোন শ্রমিক এর...

কীটনাশকে আসক্তি ভ্রমরের :

কীটনাশকে আসক্তি ভ্রমরের : কীটনাশকযুক্ত খাবারের সংস্পর্শে এলে এর প্রতি আসক্তি বাড়ে ভ্রমরের। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, কীটনাশকের প্রতি ভ্রমরের এ আসক্তি অনেকটা মাদকাসক্তির মতোই দিন দিন বাড়তে থাকে। ভ্রমরের আচরণসংক্রান্ত ওই গবেষণায় দেখা গেছে, পতঙ্গটির ওপর কীটনাশকের বিষাক্ত প্রভাব আগে যতটা ভাবা হয়েছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি। বিশেষ করে ভ্রমরের প্রজনন হারের ওপর এর প্রভাব মারাত্মক নেতিবাচক। ইমপেরিয়াল কলেজ লন্ডন ও কুইন মেরি ইউনিভার্সিটির গবেষকদের ওই যৌথ গবেষণার ফল প্রকাশ হয়েছে ‘প্রসিডিংস অব দ্য রয়েল সোসাইটি বি’ জার্নালে। বাসিন্দাদের কীটনাশকযুক্ত খাবার খাওয়ার সুযোগ রয়েছে, এমন একদল ভ্রমরের কলোনির ওপর পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে এ গবেষণা চালান বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে বিতর্কিত ‘নিওনিকোটিনয়েডস’ শ্রেণীর কীটনাশক ব্যবহার করেন গবেষকরা। বিশ্বব্যাপী এ শ্রেণীর কীটনাশকই সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। বর্তমানে এর ওপর ইইউর প্রায় সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলেও এর ব্যবহার কমানো সম্ভব হয়নি। ইমপেরিয়াল কলেজ লন্ডনের ডিপার্টমেন্ট অব লাইফ সায়েন্সেসের বিশেষজ্ঞ ড. রিচার্ড গিলের নেতৃত্বে এ গবেষণা পরিচালিত হয়। তিন...

দেশের আবহাওয়ায় টেকসই মুরগির জাতগুলোর বাণিজ্যিকভাবে পালনের পথ উন্মুক্ত হবে এবার :---

দেশের আবহাওয়ায় টেকসই মুরগির জাতগুলোর বাণিজ্যিকভাবে পালনের পথ উন্মুক্ত হবে এবার :--- মুরগির উৎপাদনশীলতা নিয়ে সফল কিছু গবেষণা শেষ করেছে বিএলআরআই। এগুলোয় পাওয়া ফলাফলগুলোর বাস্তবায়নে দেশের আবহাওয়ায় টেকসই জাতগুলোর বাণিজ্যিকভাবে পালনের পথ উন্মুক্ত হবে। স্বল্প খরচে অধিক লাভ ও রোগবালাই প্রতিরোধী জাতগুলো খামারিরা বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদের আওতায় আনতে পারলে ডিম ও মাংসের চাহিদা পূরণে বড় ধরনের ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। দেশী জাতের গলাছিলা ও পাহাড়ি মুরগির উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সফল গবেষণা পরিচালনা করেছে বিএলআরআই। প্রতিষ্ঠানটির পোলট্রি উৎপাদন গবেষণা বিভাগের উদ্ভাবিত মুরগি দেশী অন্যান্য জাতের মুরগি থেকে তিন গুণ ডিম ও দ্বিগুণ মাংস উৎপাদন করতে সক্ষম হবে। দেশের পরিবেশে বেড়ে ওঠা নিজস্ব জাতের গলাছিলা মুরগি ও পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জাতের মোরগ-মুরগির ওপর ২০০১ সাল থেকেই গবেষণা চালিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে ২০০৩ সাল থেকে মূলত মুরগির ওপর জোর দেয়া হয়। ২০১০ সালে প্রথম সফলতা আসে। সে সময়ে বিদেশী জাতের সঙ্গে ক্রস ব্রিডিংয়ের মাধ্যমে শুভ্রা নামের একটি জাত উদ্ভাবন করা হয়। পোলট্রি শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে স্থা...
আল্লাহ তোমাদের সহায় হোন : আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের কলা রয়েছে । যেমন শবরী কলা, কাঁঠালি কলা,সাগর কলা, বিচি কলা, চাঁপা কলা, ছলাকলা ইত্যাদি । কিন্ত ততক্ষন পর্যন্ত কোন কলাই মানুষের দৃস্টি করেনা, যতক্ষন যাবৎ ষোলো কলা পূর্ন না হয় । নিরাপদ সড়ক এর আন্দোলন দেশে প্রথম নয় । বহু জীবনের বিনিময়েও সড়কের নিরাপত্তা বিধানে কোন ফলপ্রসূ পদক্ষেপ চোখে পারেনি বা সড়ক নিরাপদ হয়নি । বরং বাংলাদেশের সড়ক যেনো এক মৃত্যুদূত । পরিবহন সেক্টরের নৈরাজ্য যেনো বন্ধ করার ক্ষমতা কারো নাই ।  কিন্ত এবার পরাপর দুটি দুর্ঘটনায় একাধিক ছাত্র - ছাত্রী মৃত্যু মর্মাহত করেছে সকল বয়সের ও শ্রেণীপেশার মানুষকে । তারউপর আমাদের দেশের স্বন্তানহীন, বিবেগহীন, সদা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত আইনের সেবকদের হাতে নির্মম ভাবে কোমল মতি শিশুদের রক্ত ঝরা নাড়া দিলো পুরো জাতিকে । এবার পূর্ন হলো ষোলো কলা । রাস্তায় কোমল মতি ছাত্রসমাজ এর সংগে অবিভাবকদের উপস্থিতি, সঙ্গে বাড়ছে সাধারন মানুষ । এবার একটা ভালো কিছু আসা করতেই পারি । #কিন্ত ভয় আর শংকা ও করছি অন্য কারনে । আমাদের দেশে বর্তমান প্রেক্ষাপটে যে কোন আন্দোলনে যুক্ত হয় নোংরা রাজনীতি । একশ্রেনীর মানুষ...

টার্কি নিয়ে কিছু অপ্রয়োজনীয় সংলাপ,আপনাদের মূল্যবান সময় নস্ট করার জন্য দূঃখিত :---

টার্কি নিয়ে কিছু অপ্রয়োজনীয় সংলাপ,আপনাদের মূল্যবান সময় নস্ট করার জন্য দূঃখিত :--- টার্কি নিয়ে লেখালেখি বন্ধ করেছি অনেক আগেই । কারন টার্কি এখন বাংলাদেশে নিজস্ব পরিচিতি লাভ করেছে । পাশাপাশি টার্কি পালনে অনেক খামারি এখন অভিজ্ঞ । তারা নিজেদের সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি অন্য খামারিদের ও আন্তরিক সহযোগিতা করেন গুরুত্বপূর্ন তথ্য দিয়ে । বিএলআরআই ও গবেষণা শুরু করেছে টার্কি নিয়ে । উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগও এখন টার্কি নিয়ে কাজ করছে । বিভিন্ন অ্যাপস তেরী হয়েছে টার্কি পালন নিয়ে । মোদ্দা কথা, টার্কি পালন নিয়ে এখন খামারিদের খুব বেশী সমস্যা হয়না । তবে সময়ের প্রয়োজনে আজকে আবার লিখতেই হলো । হয়তো আপনাদের কিছু মূল্যবান সময় এই লেখাটা পড়তে গিয়ে নস্ট হবে । উপকারে আসবে কিনা, সেটা আপনাদের বিচার্য বিষয় । টার্কি মুরগি এখন দ্বিতীয় ধাপ অতিক্রম করছে । আর সে ধাপটি অতি গুরুত্বপূর্ন । সেটা হলো, মাংস হিসেবে টার্কিকে জনপ্রিয় করে তোলা । আশার কথা হলো, ইতিমধ্যে অনেক খামারি নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় বানিজ্যিক ভাবেই অর্থাৎ পোল্ট্রি বিক্রয় কেন্দ্রে নিয়মিত টার্কি বিক্রয় করছেন । অনেকে আবার বিভিন্ন এলাকা থেকেও টার্কি মোরগ ...
কৃষিকে ঘিরেই সভ্যতার জাগরণ শুরু----- কৃষিই কৃষ্টি, কৃষিই সমৃদ্ধি। কৃষিকে ঘিরেই মানুষের সভ্যতার জাগরণ শুরু। ‘কৃষি’ পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতি ক্ষেত্রে কৃষির বিকল্প নেই। কৃষি পৃথিবীর মূূল চালিকা শক্তি। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা ও বিনোদনের অধিকাংশ উপাদান আসে কৃষি থেকে। বিশেষ করে খাদ্য ছাড়া জীবন বাঁচানো যায় না। খাদ্যের একমাত্র উৎস কৃষি। কৃষিকে বাঁচিয়ে রেখেছেন কৃষক ও কৃষি গবেষকগণ। দেশে সবচেয়ে বেশি সফলতা অর্জন হয়েছে কৃষিতে। গত ৪৫ বছরে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। জমি কমেছে অথচ খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেড়েছে তিন গুণ। প্রতি ১ শতাংশ হারে বছরে ৫০ হাজার হেক্টর আবাদি জমি কমছে। জনসংখ্যা বাড়ছে ১ দশমিক ৪৭ শতাংশ হারে। ক্রমহ্রাসমান জমি থেকে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্যচাহিদা পূরণের জন্য কৃষক মাথার ঘাম পায়ে ফেলছেন। রোদ-বৃষ্টি, শীত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অভাব-অনটন, ক্ষুধাসহ হাজারো সমস্যা উপেক্ষা করে খাদ্য উৎপাদন করছেন দেশের প্রায় ১৭ কোটি মানুষের জন্য। অথচ তারা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান না। কৃষক"ই সমাজের সবথেকে অবহেল...

আসুন, অন্তত একবার চেস্টা করে দেখি : ----

আসুন, অন্তত একবার চেস্টা করে দেখি : ---- বোরো ধান কর্তনের সময় নিকটবর্তী । কৃষক আনন্দিত । কিন্ত এই আনন্দ নিরানন্দে পরিনত হয় তখনই, যখন কৃষক তার কস্টে উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয় । সরকার ইতিমধ্যে প্রতিমন ধানের মূল্য ১০৫০।= টাকা নির্ধারন করেছে। প্রতিবারই সরকারি শস্য ভান্ডারে খাদ্যশস্য সংগ্রহের জন্য এমন ঘোষণা আসে । কিন্ত এর সুফল প্রকৃত কৃষক ভোগ করতে পারেনা । মধ্যস্বত্বভোগীরাই বিনা পরিশ্রমে মধু খেয়ে যায় । তাই আগেভাগেই কৃষক ভাইদের সচেতন হতে হবে । য়েসকল এলাকা থেকে ধান সংগ্রহ করা হবে, সেসকল এলাকার সকল কৃষক একত্রিত হতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে । কোন মাধ্যম ছাড়াই আগেভাগে উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে হবে । যদি সেখান থেকে সহযোগিতা পাওয়া যায়, তাহলে ভালো । আর কাংখিত সহযোগিতা না পেলে জেলা প্রশাসক, জেলা কৃষি সমপ্রসারন কর্মকতার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে । যদি তালিকা বা কার্ডের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ কার্য্যক্রম পরিচালিত হয়, তাহলে আপনার বা আপনার এলাকার আগ্রহী কৃষক ভাইদের নাম বাদ পড়েছে কিনা, সেটা সতর্কতার সঙ্গে খোঁজখবর রাখতে হবে । বন্ধু আমরা দেশের হতভাগ্য কৃষক । আমাদের একে অন্যকে সহযোগ...

ন্যায্য অধিকার পেতে হলে সচেতন ও সংগঠিত হতে হবে কৃষকদের ---

ন্যায্য অধিকার পেতে হলে সচেতন ও সংগঠিত হতে হবে কৃষকদের --- বন্ধুরা , ভালো করে একবার কৃষকের চেহরাগুলো দেখুন , শরীরের আবস্থা দেখুন , মুখগুলো দেখুন । কিছু বুঝতে পারেন   ?  সরকারি বেতন -ভাতা - বোনাস নেই এদের জন্য । নেই ঝুঁকি ভাতা । নেই চিকিৎসা বা উৎসব ভাতা । নেই কোন অবসর ভাতা । তবে আছে #প্রাকৃতিক দূর্যোগ, #সামাজিক ও #পারিবারিক #অপমানের #বোঝা, #বাজার #অব্যবস্থাপনার #বোঝা, মাথার উপরে #ঋণের #বোঝা , #পরিবারের #ভরন - #পোষণের #বোঝা , #পিতা-মাতা - #স্ত্রী -স্বন্তানদের #চোখের #পানির #বোঝা  #রোগা #শরীরের #বোঝা । তারপরও এই নিরীহ অসহায় কৃষকশ্রেনী সকল কিছু মুখ বুঝে সয়ে যাচ্ছে , হাড় ভাঙ্গা খাটুনি দিয়ে সকল প্রতিকুল পরিবেশের মধ্যেও মাঠে ফসল ফোলানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে । হাড্ডিসার শরীর নিয়ে, মাটিতে হাটু গেড়ে, কাধে জোয়াল সেটে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে দেশকে । কিন্ত বিনিময়ে সামান্যতম সামাজিক মর্যাদাটুকুও পায়না এই মানুষ গুলো । অথচ সরকারি একজন পিয়ন ও আজ কোটি কোটি টাকার সম্পদের অধিকারী। কি বিচিত্র মানুষ আমরা , কি বিচিত্র সমাজ ব্যবস্থা , কি অদ্ভুত আমাদের রাষ্ট্র ব্যবস্থা  ! ! ...

"কৃষি"তে নতুন-তরুণ উদ্যোগতাদের স্বাগতম, কিন্তু সাবধানে --------

"কৃষি"তে নতুন-তরুণ উদ্যোগতাদের স্বাগতম, কিন্তু সাবধানে -------- মাটি, সবুজের সমারোহ, প্রকৃতি আমাদের প্রায় সকলকেই আকৃষ্ট করে । আর এই সূত্র ধরে মাটির সঙ্গে, কৃষির সঙ্গে রয়েছে আমাদের নাড়ীর সম্পর্ক । আমাদের দেশের বেশীর ভাগ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে কৃষির সঙ্গে জড়িত । আবার অনেকে নতুন ভাবে কৃষিতে ঝুকছেন । এটা সত্যিই বড় প্রশান্তির,গর্বের। কিন্ত সঙ্গে সঙ্গে একটি বড় আতংক আমায় তাড়িয়ে ফেরে , সেটা হলো --নতুন কৃষি উদ্যোগতাদের অনেকেই অনভিজ্ঞ, কোনরকমের ট্রেনিং বা যাচাই -বাছাই না করেই বিনিয়োগ করে ফেলছেন . আর কিছুদিন পরেই জানা যাচ্ছে তাদের বড় রকমের লোকসানের খবর. এতে তারা নিজেরা যেমন নিরুত্সাহিত হচ্ছেন, তেমনি নতুনদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ছে ভীতি. আর সর্বোপরি  সামগ্রিক ভাবে কৃষিতে বিনিয়োগ কমে যেতে পারে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে পুরো কৃষি অর্থনীতি. আর যে কারণে আমি বার বার ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ছি, নতুনদের সতর্ক করার চেষ্টা করছি. কেন এমন হচ্ছে --?? বর্তমান ডিজিটাল যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ ও এগিয়েছে অনেক দূর । আর সেই সুবাদে আমরা হাতের কাছেই পেয়ে যাচ্ছি আধুনিক/ডিজিটাল বিভিন্ন সেবা । এটার...

পানির উপরেই ভাসমান সবজি চাষ...............

পানির উপরেই ভাসমান সবজি চাষ............... বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকায় বছরের প্রায় পুরোটা সময় জলাবদ্ধ থাকে ৷ এ সব এলাকার ঊদ্দ্যোমী কৃষক বন্ধুরা ভাসমান পদ্ধতিতে গাছের চারা এবং সবজি উৎপাদন করে কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে দার করিয়েছে এক অনন্য উচ্চতায় । কৃষকের কৌশল:--- বছর জুড়েই জলাবদ্ধতা, সাথে কচুরিপানার মিছিল। এসকল এলাকার নিম্নাঞ্চলে স্বাভাবিক উপায়ে কৃষিকাজ কার্যত অসম্ভব৷ তবে বৈরী এই পরিবেশের সঙ্গে লড়াই করে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়ন, উজিরপুরের হারতা এবং পিরোজপুর এর নাজিরপুর উপজেলার বৈঠাকাটা, মুগাঝোর এর  কৃষকরা নিজেদের কৌশলে চালিয়ে যাচ্ছেন কৃষিকাজ। ভাসমান কৃষিক্ষেত্র: এ সকল এলাকার পুরো জলাভূমতি যেন এক ভাসমান কৃষির স্বর্গরাজ্য। নিজেদের উদ্ভাবিত ‘ধাপ’ পদ্ধতিতে চাষাবাদ করেন এ সব এলাকার কৃষক ৷ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) ‘কৃষি ঐতিহ্য অঞ্চল’ হিসেবেও স্বীকৃতি পেয়েছো এ সকল অঞ্চলের কৃষকদের উদ্ভাবিত ভাসমান পদ্ধতির এ চাষাবাদ ৷ যেভাবে তৈরি হয় ধাপ: পানিতে ডুবে থাকা নিম্নাঞ্চল কচুরিপানা, দুলালীলতা, ...
পরিবেশবান্ধব উপায়ে বালাই ব্যবস্হাপনা-- নিমপাতা-- ১ কেজি নিমপাতা আধাছায়ায় শুকিয়ে পাউডার বানাতে হবে। এই পাউডার দিয়ে ৪০ কেজি বীজ সংরক্ষণ করা যায়। নিমেরছাল-- ১ কেজি নিমেরছাল ভাল করে পিষে ১০ লি পানি+ ২০ গ্রাম সাবানের গুড়া + ১২-২৪ ঘন্টা ভিজিয়ে ছেকে মাছিপোকা,বিছাপোকা ও জাবপোকা দমনের জন্য ৫ শতক জমিতে স্প্রে করা যায়। তামাকপাতা-- তামাক পাতা শুধু অপকার নয়, উপকার ও করে . কাঁচা ১ কেজি তামাকপাতা অথবা শুকনা প্রমাণ সাইজের ১০ টি পাতা কুঁচি কুঁচি করে কেটে ২০ গ্রাম ডিটারজেন্ট + ১০ লি পানির সাথে ১২-২৪ ঘন্টা ভিজিয়ে কছলাতে হবে। ভাল করে ছেকে, মাইটস দমনের জন্য ৫ শতক জমিতে স্প্রে করতে হবে। কালো কচু-- ১ কেজি পাতা কুঁচি কুঁচি করে কেটে ৫ লি পানিতে ৩০ মি আগুনে ফুটতে দিতে হবে। ঠান্ডা হলে ২০ গ্রাম ডাটারজেন্ট মিশিয়ে ভাল করে ছেকে বিপিএইচ দমনের জন্য ৩ শতক জমিতে স্প্রে করতে হবে। বিষকাটালি-- ১ কেজি কাঁচাপাতা ভাল করে পিষে ১ লি পানিতে ১২ ঘন্টা ভিজায়ে ছেকে ২০ গ্রাম সাবান গুড়া মিশিয়ে ১০ লি মিশ্রণ তৈরি করে, মাছিপোকা, জাবপোকা,পাতা ও ফল ছিদ্রকারী পোকার কীড়া দমনের জন্য ৫ শতক জমিতে স্প্রে করতে হবে। আদা-- ১ কেজি ...
গিমাকলমী: আমি প্রথমে শাক হিসেবে মাটিতে চাষ শুরু করি, কারণ চাষ পদ্ধতিতে মাটিতে চাষের উপযোগী হিসেবে বর্ণিত । ভালো ফলন পাওয়ার পর পরীক্ষামুলক ভাবে কর্দমাক্ত মাটি ও পুকুরের পারে রোপণ করি । আলহামদুলিল্লাহ, তাতেও ব্যপক ফলন হয়েছে । এখন আমার শাকের চাহিদা মিটিয়ে পশু খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করছি । যারা গরু ,ছাগল বা টার্কির খামার করছেন এবং ঘাস চাষ নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন , তাদের জন্য এই গিমাকলমী চাষ একটি নির্ভরযোগ্য সমাধান হতে পারে । কারণ এটা উঁচু,নিচু , জলাবদ্ধ জমি আথবা জলাশয়ে চাষ করা সম্ভব । উল্লেখ্য, সাধারণ কলমী গরু বা ছাগল বেশী খেলে পায়খানা পাতলা হতে দেখা যায় । কিন্ত আমি এটা গরু বা ছাগলকে খেতে দিয়ে এখন পর্যন্ত তেমন সমস্যার সম্মুখীন হইনি । #সকলের জন্য শুভকামনা --চাষা আলামিন জুয়েল ॥
পোল্ট্রি খামারি বন্ধুদের কিছু প্রশ্ন ও উত্তর : সমস্যা: আমি মুরগি পালন করতে চাই, প্রথমে কি করকে হবে জানাবেন। CAJসমাধান: মুরগি পালন ছোট পরিসরে, নাকি বড় পরিসরে করবেন তা বলেন নি, যদি বাণিজ্যিক ভাবে বড় পরিসরে মুরগি পালন করতে চান তবে, প্রথমে অভিজ্ঞ লোকের সাথে কথা বলতে হবে অথবা যুব উন্নয়ন থেকে ট্রেনিং নিতে হবে অথবা উপজেলা পশু সম্পদ অফিসের সাথে যোগাযোগ করে সঠিক পরামর্শ নিতে হবে। সমস্যা: মুরগির বাচ্চা হয় এবং বাচ্চা অবস্থায় বাচ্চার চোখে ফোট আকৃতি হয় চোখ বন্ধ হয়ে পরে মাড়া যায়। CAJসমাধান: অসুস্থ্য মুরগীকে আলাদা করে রাখতে হবে। আক্রান্ত মুরগীকে ফাউল পক্স ভেক্সিন (বোতলেরে সাথে নির্দেশিকা মোতাবেক) দিতে হবে। সমস্যা: দেশী মুরগী (৫-৭ টি) খাবার খায় না, নাক দিয়ে পানি পরে, ঝুটিতে পক্স হয়েছে, শ্বাস কষ্ট আছে , হাল্কা চুনা পায়খানা করে, করনীয় জানাবেন। CAJসমাধান: ডক্সিভেট/টাইরোসেফ আধা কেজি সমপরিমান ভাতের সাথে ৫-১০ গ্রাম ঔষধ মিশিয়ে রোগাক্রান্ত মুরগীগুলোকে খাওয়াতে হবে। অথবা রেনামাইসিন টেবলেট (২ টি) আধা কেজি সমপরিমান ভাতের সাথে গুরা করে খাওয়াতে হবে। সমস্যা: মুরগী ঝিমায়, চুনা চুনা পায়খানা কর...
শীতকালীন আবাদ --CAJ পর্ব ০৪: সয়াবিন চাষ: বাংলাদেশে সয়াবীন একটি সম্ভাবনাময় ফসল। আমিষ ও ভোজ্য তেল উৎপাদনে সয়াবীন এখন অনেক দেশেই একটি প্রধান ফসল। পুষ্টি উপাদান/মূল্য ও ভেষজগুণঃ প্রোটিন বিদ্যমান। অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড থাকে বিধায় হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্ত চাপ রোগীদের জন্য বিশেষ উপকারী। ব্যবহারঃ সয়াবিন ডাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া পিয়াজু, বড়া, দুধ, চাপাতি, পরটা, পাউরুটি, বিস্কুট, পিঠাসহ আরও অনেক খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে পোল্ট্রি শিল্পে সয়াবিন ব্যবহৃত হচ্ছে। উপযুক্ত জমি ও মাটিঃ দো-আঁশ, বেলে-দো-আঁশ ও এঁটেল দো-আঁশ মাটি সয়াবিন চাষের উপযোগী। জাত পরিচিতিঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট সয়াবিনের ৩টি জাত উদ্ভাবন করেছেন। জাতগুলোর বৈশিষ্ট্য নিম্নে উল্লেখ করা হলো। সোহাগ (পিবি-১): সংগৃহীত জার্মপ্লাজম থেকে বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৯৯১ সালে সরকার কর্তৃক জাতটির  অনুমোদন দেয়া হয়।ফুলের রং বেগুনী। বীজের রং উজ্জ্বল হলদে। বীজ সংরক্ষণ ক্ষমতা ভালো। ১০০ বীজের ওজন ১১-১২ গ্রাম। এজাতটি পাতার হলদে মোজাইক রোগ সহনশীল। জীবনকাল রবি মৌসুমে ১০০-১১০ দিন এবং খরিপ মৌসুমে ৮০-৯০ দিন। হেক্টর প্...