সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

গরুর বিকল্প গয়াল : বেশি স্বাদ বেশি মাংস, দক্ষিণ চট্টগ্রামে বেচা-বিক্রি চলছে----- ফেনী জেলার মহিপাল থেকে শামসুল ইসলাম নামের এক ব্যবসায়ী সাতকানিয়া উপজেলার কেঁউচিয়া বাইতুল ইজ্জত এসেছেন মেজবানির জন্য গয়াল কিনতে। ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকায় কিনেছেনও একটি। গত বছরও তিনি আরেকটি অনুষ্ঠানের জন্য ১ লাখ ৮ হাজার টাকায় একটি গয়াল কিনে নিয়ে গিয়েছিলেন। শুধু অনুষ্ঠানের জন্য নয়, ব্যবসার জন্যও তিনি গয়াল কেনেন। শামসুল ইসলাম বলেন, গরু-মহিষের চেয়ে গয়ালে মাংস পাওয়া যায় অনেক বেশি, স্বাদও চমৎকার। তাছাড়া গয়াল ভিম্নধর্মী প্রাণী, এটি এলাকায় নিয়ে গেলে দেখতে লোকজনের ভিড় জমে যায়। তাই বিক্রিও হয় ভালো দামে। তিনি সাতকানিয়া থেকে নিয়মিত গয়াল কিনে ফেনী নিয়ে যান। শামসুল ইসলাম শুধু নয়, চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ, নোয়াখালীর চৌমুহনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থেকে গয়াল কিনতে আসা আরও অনেকে একই কথা বললেন। চট্টগ্রামে গরু-মহিষের মাংসের দাম বেশি হওয়ায় গয়ালের মাংসের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষ বাণিজ্যিকভাবে গয়াল পালনে ঝুঁকছে। মাংসের চাহিদা পূরণের জন্য পাহাড়ি গয়ালের ব্যবহার সম্পর্কে চট্টগ্রাম জেলা প্রাণ...
ডালিম চাষঃ ডালিমের জাত পরিচিতি--- বাংলাদেশে ডালিমের জাত প্রকরণ নিয়ে কোন কাজ হয়নি৷ এর কোন উন্নত জাতও বাংলাদেশে নাই৷ পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য জাতের মধ্যে স্প্যানিশ রুবি, পেপার সেল, ওয়ান্ডারফুল, মাসকেট রেড, ঢোল্‌কা, ভাদকি ও জিবিজিআই, বেদানা ও কান্ধারী। প্রভৃতির নাম উল্লেখযোগ্য৷ ডালিম গাছ ১০ থেকে ১৫ ফুট লম্বা হয় এবং এর কাঠের রঙ ফিকে পীত, কাঠে অল্প কালো দাগ থাকে। এর শাখা প্রশাখাগুলো গোলাকার। পাতা সাধারণত ২ থেকে ৩ ইঞ্চি লম্বা এবং উভয় দিক সরু এবং উপরিভাগ চকচকে মসৃণ। ফুল ভেদে ডালিমকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। এক প্রকার গাছে শুধুমাত্র পুং ফুল ফোটে অন্যটিতে পুং এবং স্ত্রী দু’প্রকার ফুলই ফোটে। ডালিম গাছ চার-পাঁচ বছর বয়স থেকে ফল দেওয়া শুরু করলেও, শুরুর দিকে ভালো ফলন হয় না। সাধারণত ৮-১০ বছর বয়সের গাছ থেকে ভালো ফলন শুরু হয়। একটি পূর্ণ বয়ষ্ক সুস্থ সবল ডালিম গাছে বৎসরে ১০০-১৫০টি ফল ধরে। তবে ভালো পরিচর্যা নিলে ২০০-২৫০টি ফল পাওয়া যেতে পারে। একটি ডালিম গাছ ত্রিশ বছর পর্যন্ত লাভজনক ফলন দিতে সক্ষম। ডালিমের বপন/রোপণ প্রযুক্তিঃ---- বংশবিস্তারঃ বীজ, শাখা কলম, শেকড়ের সাকার দ্ধারা বংশবিস্তার করা হয়। ডালিম...
শীতের আগাম শাক চাষ:--------- আসছে শীত। চলছে আশ্বিন মাস । এখনই সময় শীতের আগাম শাক-সবজি চাষের। এতে আগাম হবার কারণে যেমন দাম পাওয়া যায় বেশী , তেমনি বাজারে চাহিদাও থাকে বেশী। দোআঁশ, বেলে দোআঁশ মাটি শাক চাষের জন্য ভালো। শাক বলতে আমরা লতা পাতাকেই  বুঝি। সে কারণে পাতার উতপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন বিভিন্ন জৈব বা রসায়নিক সারের। শাক আমাদের অনেকেরই প্রিয়। মুলা শাক, পালং শাক, লাউ শাক, লাল শাক, মটর শাক সহ তাজা যেকোন শাক -সবজী হলে তো কথাই নেই। কিন্ত আগাম শাক চাষের জন্য প্রয়োজনীয় কাজ আমাদের এখনই শেষ করতে হবে ! কারণ আগাম শাক চাষের জন্য সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত উত্তম সময়। শাক চাষ পদ্ধতি:----- দোআঁশ, বেলে দোআঁশ মাটি শাক চাষের জন্য উত্তম। জমি উঁচু ও মাঝারি উঁচু হলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। শাক উৎপাদনের জন্য জমি পাঁচ থেকে ছয়টি আড়াআড়ি চাষ এবং মই দিয়ে ভালো করে তৈরি করে নিতে হবে। আগাছামুক্ত ও মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। প্রায় সব শাকের বেলায় একই ভাবে জমি তৈরি করে নিতে হবে। শাকের বীজ ছিটিয়ে বপন করাই উত্তম। তবে গুচ্ছ, বেড পদ্ধতি বা সারিবদ্ধ আকারেও জাত ভেদে বীজ বপন করা যেতে পারে . শাক চাষে...
ভাবিনি কখনো ,এমন কিছূ লিখতে হবে: আমি অতি নগন্য একজন চাষা । নিজের সাধ্য সামর্থও  অতি নগন্য । কিন্ত কৃষি ও কৃষক ভালোবাসি । তাই নিজের ক্ষুদ্র অবস্থান থেকে কৃষি নিয়ে কিছু করার ব্যর্থ চেষ্টা করে যাচ্ছি । কিন্ত এমন কখনো ভাবিনি, যে সেই কৃষক সমাজের বিরুদ্ধে কিছু লিখতে হবে । আমরা যারা কৃষি খামারের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত তারাই কৃষক । একটা সময় ছিলো, যখন কৃষকদের নিরীহ , সহজ - সরল, খেটে খাওয়া মানুষ হিসেবে গণ্য করা হতো । কিন্ত এখন আর সেদিন নেই । কারণ এখন কৃষির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উচ্চশিক্ষিত, মেধা সম্পন্ন বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষও । যেকারণে পরিবর্তন হয়েছে সেই 'সহজ - সরল' নামক তকমা । এবং যার যথেষ্ঠ সঙ্গত কারণও রয়েছে । আধূনিক প্রযুক্তি মানুষের জীবন ধারায় বিশাল এক পরিবর্তন এনেছে । বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সেবা বদলে দিয়েছে আমার দৈনন্দিন জীবন মান । যেগুলোর ব্যবহার ক্রমশ যেমন আমাদের সুবিধার দ্বার উন্মোচন করেছে , তেমনি কিছু ক্ষতির ও কারণ হয়ে দাড়িয়েছে । কিন্ত তাতে প্রযুক্তির দোষ নেই । দোষ তার , যে প্রযুক্তিকে নিজের কুমতলব চরিতার্থ করার কাজে অপব্যবহার করছে । আমি চাষা আলামিন জুয়েল ছোট ...
ইসলাম ও কৃষিঃ--- CAJ মন্তব্য : দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জগৎ নিয়েই মানুষ ও মানুষের জীবন। হাদিস শরিফে আছে, ‘দুনিয়া হচ্ছে আখিরাতের কৃষিক্ষেত্র’। জীবনধারণের জন্য পার্থিব সম্পদ ও উপকরণ আহরণ, তা প্রতিপালন এবং সংরক্ষণের সাধারণ নাম কৃষি। ইসলাম ধর্ম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান মানবতার জন্য। কৃষি সম্পর্কেও ইসলাম পর্যাপ্ত দিক নির্দেশনা প্রদান করেছে। কোরআন মজিদ ও হাদিস শরিফে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় মৌলিক নীতি ঘোষিত হয়েছে এবং কৃষির উন্নয়নের ওপর যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ইসলামের মৌলিক নীতির আলোকে কৃষি ও মানবকর্ম বিষয়ক ধারণা সবার জানা দরকার। রিজিকঃ আল্লাহ-ই সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা ও রিজিকদাতা, একজন মুমিন হিসেবে অবশ্যই বিশ্বাস করতে হয়। মানুষ ও অন্য সব প্রাণীর আহার্যের উপকরণসমূহ তারই সৃষ্টি। মহান আল্লাহ তায়ালা খাবার বা আহার্যের উপকরণ সমূহকে অনুগ্রহ করে মানুষের অধীনস্ত করে দিয়েছেন। এসব বিষয়ের বর্ণনায় কোরআন মজিদে বহু আয়াত নাজিল হয়েছে যেমন- ‘তোমরা কি দেখ না আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে আল্লাহ তায়ালা তার সমস্তই তোমাদের জন্য নিয়োজিত রেখেছেন। তোমাদের ওপর তার (আল্লাহর) প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য অনুগ্রহ সম্পূর্ণ ক...
ঈদ হোক ত্যাগের , ঈদ হোক সহমর্মিতার , ঈদ হোক আনন্দের ।
মাছের রোগ বালাই ও প্রতিকার---- জীবিত প্রাণি রোগাক্রান্ত হবে, এটাই প্রকৃতিক নিয়ম এবং স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। মাছের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয় না। তবে নানা কারণে উন্মুক্ত জলাশয়ের চেয়ে বদ্ধ জলাশয়ে চাষ করা মাছে রোগাক্রমণ অনেক সময় কম বেশি হয়ে থাকে। পুকুর বা দীঘির মাছকে প্রায়ই নানান রোগের কবলে পড়তে দেখা যায়।আবদ্ধ পদ্ধতিতে চাষকৃত মাছ সচরাচর যেসব রোগে আক্রান্ত হতে পারে, এ ধরনের কয়েকটি সম্ভাব্য রোগ ও তার প্রতিকার সম্পর্কে সংক্ষিপ্তভাবে আলোকপাত করা হলো। রোগের নাম/আক্রান্ত মাছের প্রজাতি/রোগের লক্ষন ও কারণ/চিকিৎসা ও ঔষধ প্রয়োগ/প্রতিষেধক/প্রতিকারে  নিম্মোক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে ---- ১) রোগের নাম - ছত্রাক রোগ (সেপ্রোল্গেনিয়াসিস): আক্রান্ত মাছের প্রজাতি - রুই জাতীয় ও অন্যান্য চাষ যোগ্য মাছ। রোগের লক্ষন ও কারণ: আক্রান্ত মাছের ক্ষতস্থানে তুলার ন্যায় ছত্রাক দেখা দেয় এবং পানির স্রোত যখন স্থির হয়ে যায় কিংবা বদ্ধ জলায় অথবা হ্যাচারী ট্যাংকে যেখানে অনিষিক্ত ডিমের ব্যাপক সমাগম ঘটে, উহাতে ছত্রাক রোগ দ্রুত বিস্তৃতি লাভ করে। এমনি ধরনের প্রাকৃতিক জলাশয়ে প্রায় শতকরা ৯৮ ভাগ মাছের ডিম ক...
যুগ বদলেছে, সততা - বিশ্বাস দুর্বল হয়েছে , স্বার্থপরতা-প্রতারণা আজ শক্তিশালী:-- একটা সময় ছিলো, শুধু মুখের কথায় লেনদেন চলতো । একজন আরেকজনকে অন্ধবিশ্বাস করতো । এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সে বিশ্বাসের মর্যাদা সমুন্নত থাকতো । মানুষের মাঝে অভাব অনটন থাকলেও ভালবাসার অভাব ছিলোনা । ছিলো আত্নীয়তা, সামাজিক বন্ধন । কিন্তু আজকাল ভাত -কাপড়ের অভাব নাই বললেই চলে । আছে মূল্যবোধ, সততা, নীতি, আত্মমর্যাদার অভাব । আজ প্রখর হয়েছে লোভ --ক্ষমতার লোভ , অপরিসীম বিত্ত বৈভবের লোভ , নাম খ্যাতির লোভ । যেটা পুড়িয়ে ছাড়খার করে দিচ্ছে বিশ্ব মানবতাকে । লোভ থাকা দোষের কিছু নয় । সকল মানুষের মাঝেই সেটা বিদ্যমান । চাষা আলামিন জুয়েলের মাঝেও রয়েছে । আছে স্বচ্ছলতার লোভ ,আছে সফলতা অর্জনের লোভ , আছে ভালবাসা পাওয়ার লোভ , আছে পরিপূর্ণ হবার লোভ । কিন্তু সে লোভ যদি অন্য কোন মানুষের ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়ায় , সে লোভ যদি মানবতা বিবর্জিত হয়, তখনই দোষের । পৃথিবীর সৃষ্টিলগ্ন থেকেই ইবলিশ শয়তানের আবির্ভাব।তাই তার অনুসারী হয়ে আমার মত কুমতলববাজ, ধান্দাবাজ, প্রতারকের দল নিত্য নতুন ফন্দি আটবে সেটাই সাভাবিক । কিন্তু আপনি কেন অতি লোভে পরে সে ...
শুরু হচ্ছে কাঁকড়ার পোনা উৎপাদন: রপ্তানিমুখী কাঁকড়া চাষ খাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মিটানোর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ কাঁকড়ার পোনা সুন্দরবন হতে সংগ্রহ করা সম্ভব নয়। সুন্দরবন হতে বিপুল পরিমাণে কাঁকড়ার পোনা সংগ্রহ করার ফলে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য নষ্ট হয়ে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এরই প্রেক্ষিতে কাঁকড়ার হ্যাচারি স্থাপনের মাধ্যমে দেশে কাঁকড়ার পোনা উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কাঁকড়ার হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদন শুরু হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনীস্থ কলবাড়ীতে স্থাপিত নতুন এ কাঁকড়ার হ্যাচারিতে উৎপাদিত কাঁকড়ার পোনা নার্সারি পুকুরে অবমুক্ত করা হচ্ছে। দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিকাশমান কাঁকড়া চাষ দ্রুত উন্নয়নের লক্ষ্যে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর প্রমোটিং এগ্রিকালচার কর্মাসিয়ালাইজেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজেস (পিএসিই) প্রকল্পের আর্থিক সহায়তায় পিকেএসএফ-এর সহযোগী সংস্থা নওয়াবেঁকী গণমুখী ফাউন্ডেশন (এনজিএফ) সাতক্ষীরার শ্যামনগরে কাঁকড়ার হ্যাচারিটি স্থাপন করেছে। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে এর আগে কাঁকড়ার হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনের বিভিন্ন প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হলেও এবারই ...
ভেড়া পালন :(CAJ পোস্ট ) পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই ভেড়া পালন জনপ্রিয়। মাংস, উল ও দুধ উৎপাদনের জন্য ভেড়া পালন হয়ে থাকে। বড় বড় বাণিজ্যিক খামারের মাধ্যমে ভেড়া পালন করা হয়, আবার পারিবারিক পর্যায়েও পালন করা হয়। বিভিন্ন দেশে ভেড়ার মাংস বেশ জনপ্রিয়। ভেড়া পালনের বিশেষ দিকগুলো তুলে ধরা হলো--(CAJ) * ভেড়া শান্ত ও ছোট প্রাণী; ফলে এদের খাদ্য ও আবাসনজনিত বিনিয়োগ এবং ঝুঁকি কম * ভেড়া মাংস, পশম, চামড়া ও জৈবসার উৎপাদন করে * ভেড়া গরু-ছাগলের সঙ্গে মিশ্রভাবে পালন করা যায়। * একটি ভেড়া বছরে সাধারণত দু’বার বাচ্চা দেয় এবং প্রতিবার গড়ে দুটি করে বাচ্চা দেয়। ভেড়া নির্বাচন : পালনের জন্য ৭-১২ মাস বয়সী সুস্থ ভেড়া নির্বাচন করা উচিত। শারীরিক গঠনের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে সাধারণত দু’ প্রকার ভেড়া দেখা য়ায়। একটি জাতের কান খুব ছোট এবং লেজ খাটো।অন্যটির কান মোটামুটি বড় এবং লেজ মধ্যম আকৃতির। ভেড়ার জাত: (CAJ) সারা বিশ্বে ৯০০ এর অধিক জাতের ভেড়া রয়েছে । বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে ভেড়ার জাতকে বিভিন্নভাবে ভাগ করা হয়। যেমন- * মাংস ও বাচ্চা উৎপাদনকারী জাত, আর্কট (কানাডা)। * মাংস ও উল উৎপাদন...
কলা চাষ পদ্ধতি------- চাষাবাদের ক্ষেত্রে কৃষকরা আবহমানকাল থেকে অর্থকরী ফসল হিসেবে শুধু ধানকেই দেখে আসছেন। ধানের বহুমুখী ব্যবহার ও চাহিদার জন্যই এর প্রভাব কৃষক মহলে বেশি। এদিকে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি এলাকার দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি ধান চাষের জন্য উপযোগীও বটে। সম্প্রতি কচুরলতির প্রতিও মানুষের আগ্রহ বাড়ছে দিন দিন। গত ১০/১২ বছর থেকে কচুরলতির পাশাপাশি কৃষকদের কলার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। প্রাচীন ধ্যান-ধারণা ক্রমেই পাল্টাচ্ছে আর এই পরিবর্তনের ফলস্বরূপ লাভজনক ফসল হিসেবে তারা কলাকে চিহ্নিত করেছেন। কারণ হিসেবে জানা গেছে, ধান, পাট ও আখসহ প্রচলিত অন্যান্য ফসলের তুলনাই কলাচাষে শ্রম ব্যয় হয় কম, বিক্রি করতেও ঝামেলা নেই (বাগান থেকেই বিক্রি হয়)। অন্যদিকে কলার বাজার দরে সহজে ধস নামে না। পুষ্টিকর ফল হিসেবেও কলার চাহিদা বেশি। সর্বোপরি একবার কলার চারা রোপণ করলে ২/৩ মৌসুম চলে যায়। কলার গাছ বড় হওয়ার কারণে গরু-ছাগলের হাত থেকে রক্ষার জন্য বেড়া (ফেন্সিং) দিতে হয় না। বন্যাসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে আক্রান্ত না হলে ১ একর জমি থেকে ধান পাওয়া সম্ভব (ইরি-আমন মিলিয়ে) ৮০/৯০ মণ। এর আনুমানিক মূল্য ৪৫/...

CAJ-গাভী পালন পদ্ধতি :

CAJ-গাভী পালন পদ্ধতি : উতপাদনশীল গাভী নির্বাচন : বাংলাদেশের কিছু কিছু অঞ্চলে বিশেষ উৎপাদনশীল গাভী পরিলক্ষিত হয়। যেমনঃ চট্টগ্রামের লাল গরু বা রেড চিটাগাং , পাবনা জেলার গরু ও ফরিদপুর জেলার গরু। তবে উতপাদনশীল গাভী নির্বাচনে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরী, সে বিষয়ে নিচে আলোচনা করা হলো : মাথাঃ মাথা হালকা ও ছোট আকারের হবে। কপাল প্রশস্ত, চোখ উজ্জ্বল হবে। অধিক খাদ্য গ্রহণে আগ্রহী হবে। দৈহিক আকারঃ দেহের সামনের দিক হালকা, পিছনের দিক ভারী ও সুগঠিত হবে, অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সামঞ্জস্যপূর্ণ ও সুসংগঠিত হবে। দৈহিক আকার আকর্ষণীয় হবে। শরীরের গঠণ ঢিলা হবে। পাঁজরঃ পাঁজরের হাঁড় সুস্পষ্ট অনুভব করা যাবে। হাঁড়ের গঠন সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। চামড়াঃ চামড়া পাতলা হবে। চামড়ার নীচে চর্বির বাহুল্য থাকবে না। লোম মসৃন ও চকচকে হবে। ওলানঃ গাভীর ক্ষেত্রে ওলান বড় ও সুগঠিত হবে ও দেহের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। পিছনের দুই পায়ের মধ্যবর্তী স্থান প্রশস্ত হবে। বাটগুলি একই আকারের হবে। ৪টি বাট সমান দূরত্বে ও সমান্তরাল হবে। দুগ্ধশিরাঃ দুগ্ধ শিরা মোটা ও স্পষ্ট হবে। তলপেটে নাভীর পাশ দিয়ে দুগ্ধশিরা আঁকাবাঁ...